জাতীয়

সবুজ ও টেকসই উন্নয়নের পথে বাংলাদেশ: সৌরশক্তিকে ভবিষ্যতের ভিত্তি হিসেবে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

১৩ ঘন্টা আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ খুব দ্রুতই একটি “সবুজ ও টেকসই উন্নয়নের মডেল রাষ্ট্রে” পরিণত হতে পারে। জাতীয় সংসদ ভবনে এক মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প উদ্বোধনকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রোববার জাতীয় সংসদ ভবন-এর শপথ কক্ষ হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতি সম্প্রসারিত হচ্ছে, শিল্পায়ন ও বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। তবে একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিও বাড়ছে, যা বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

তার ভাষায়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বর্ষণ, ঘূর্ণিঝড় ও নদীভাঙন এখন বাংলাদেশের “প্রতিদিনের বাস্তবতা”। এ কারণে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে অগ্রসর হওয়া শুধু পরিবেশগত দায়বদ্ধতা নয়, বরং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অসংখ্য ভবনের ছাদ, শিল্পাঞ্চল, খোলা জমি ও উপকূলীয় অঞ্চল সৌরশক্তি উৎপাদনের জন্য বিশাল সম্ভাবনা তৈরি করেছে। গত এক দশকে বিশ্বব্যাপী সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসায় এটি এখন পরিবেশবান্ধব হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবেও কার্যকর সমাধানে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদ ভবনে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা শুধু একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প নয়; এটি দেশের টেকসই ভবিষ্যতের প্রতীক। তার মতে, গণতন্ত্রের প্রতীক সংসদ ভবনের ছাদে সৌরশক্তির ব্যবহার একটি বার্তা দিচ্ছে— নেতৃত্বের প্রতিফলন শুধু নীতিতে নয়, বাস্তব কাজেও থাকতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সংসদ ভবনের এই উদ্যোগ দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌরশক্তিভিত্তিক বিকেন্দ্রীকৃত বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে আমদানি-নির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতে এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে এ ধরনের উদ্যোগ কার্যকর হতে পারে। তবে টেকসই রূপান্তরের জন্য দীর্ঘমেয়াদি নীতি, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

Dr.Mahfuzul Alom