বনলতা ল্যান্ডমার্কের এমডি সুকেন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে গ্ৰাহকের কোটি কোটি টাকা লুটপাট ও দুর্নীতির অভিযোগের পাহাড়
অনলাইন ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
রিয়েল এস্টেট খাতে উচ্চ প্রত্যাশা নিয়ে যাত্রা শুরু করা বনলতা ল্যান্ডমার্ক লিমিটেড এখন নানা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুকেন্দ্র দাস–এর বিরুদ্ধে শেয়ার অধিগ্রহণে অসঙ্গতি, গ্রাহকের অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম এবং ব্যক্তিগত সম্পদ বৃদ্ধির অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র ও অডিট পর্যবেক্ষণে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
শেয়ার অধিগ্রহণ নিয়ে অভিযোগ
প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ২০১৮ সালে কোম্পানির চেয়ারম্যান আহমেদ আলী খান ফেরদৌস–এর ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে সুকেন্দ্র দাস প্রথমে বিনা পুঁজিতে ১২০০ শেয়ার গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রশাসনিক ও ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়ে মোট প্রায় ৩০০০ শেয়ার নিজের নামে নেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কয়েকজন পরিচালকের দাবি, চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক কারণে দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে অবস্থান করায় কোম্পানির কার্যক্রম ধীরে ধীরে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের একক নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
২৮ কোটি টাকা লেনদেন, কিন্তু জমির মালিকানা নেই
অভ্যন্তরীণ অডিট সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানির চলমান প্রকল্পে প্রায় ২১৮ জন গ্রাহকের কাছ থেকে বুকিং ও কিস্তি বাবদ ২৮ কোটিরও বেশি টাকা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে কোম্পানির নামে পর্যাপ্ত জমির মালিকানা বা দলিল নিবন্ধনের তথ্য পাওয়া যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে।
অডিট প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ৬ কোটির বেশি টাকার লোকসান দেখানো হলেও প্রকল্পসংক্রান্ত ১৭টি দলিলের মধ্যে ১৬টিই ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ব্যক্তিগত নামে এবং মাত্র একটি চেয়ারম্যানের নামে পাওয়া গেছে। ফলে গ্রাহকের অর্থ ব্যক্তিগত সম্পদ অর্জনে ব্যবহৃত হয়েছে কি না-সে প্রশ্ন উঠেছে।
একই প্রকল্পের নামে পৃথক কোম্পানির অভিযোগ
“বনলতা রিভারগেট টাউন” নামে একটি প্রকল্পের সঙ্গে মিল রেখে আলাদা একটি কোম্পানি খোলার অভিযোগও উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, এতে গ্রাহকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।
এছাড়া “গাডওয়াল” নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমও বনলতা ল্যান্ডমার্কের অফিস থেকেই পরিচালিত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ব্যয়ের হিসাব ও অডিটে অসঙ্গতি
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সময়ের ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব পাওয়া যায়নি। প্রায় ৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকার খরচের ক্ষেত্রে বোর্ড রেজুলেশন বা যথাযথ ভাউচার অনুপস্থিত রয়েছে বলে অডিট পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়েছে।
অডিট কার্যক্রম চলাকালে নির্ধারিত কক্ষের তালা ভাঙা, গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও নথি গায়েব হয়ে যাওয়া এবং অডিট টিমকে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়ার ঘটনাও অডিট পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
ব্যক্তিগত সম্পদ বৃদ্ধির অভিযোগ
কোম্পানির অর্থ ব্যবহার করে বিলাসবহুল গাড়ি কেনা এবং পূর্বাচলে প্লট ক্রয়ের তথ্যও সামনে এসেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো পূর্ণাঙ্গ আর্থিক তদন্ত সম্পন্ন হয়নি।
এমডির বক্তব্য পাওয়া যায়নি
উল্লিখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুকেন্দ্র দাসের বক্তব্য জানতে তাঁর মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অভিযোগগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক লেনদেন ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনার প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।
রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৫২৯ জন গ্রেপ্তার ডিএমপির অভিযানে ৩০টি মামলা দায়ের
রাজধানীতে নিয়মিত অপরাধ দমন অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫২৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। একই সময়ে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৩০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত পরিচালিত
৩ দিন আগে
ক্রিকেটার থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ডেভিড ইমন’: যেভাবে বদলে গেল মোবারক হোসেন ইমনের জীবন
একসময় চট্টগ্রামের ক্রিকেটাঙ্গনে সম্ভাবনাময় বাঁহাতি ‘চায়নাম্যান’ স্পিনার হিসেবে পরিচিত ছিলেন মোবারক হোসেন ইমন। হাতে ছিল ক্রিকেট বল, স্বপ্ন ছিল জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানোর। তবে সেই স্বপ্নের পথ ছেড়ে কয়েক বছরের ব্যবধানে তিনি হয়ে ওঠেন চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী ‘ডেভিড ইমন’।খুন, চাঁদাবাজি, অস্ত্রের মহড়া ও সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িয়ে আলোচনায় আসা ডেভিড...
৩ দিন আগে
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ‘কুত্তা ফারুক’সহ ছিনতাই চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শেখেরটেক এলাকায় ডাকাতি ও হামলার প্রস্তুতিকালে ‘কুত্তা ফারুক’ নামে পরিচিত এক শীর্ষ সন্ত্রাসীসহ ছিনতাই চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে আদাবর থানা পুলিশ। অভিযানে তাদের কাছ থেকে চাপাতি, সামুরাইসহ কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।বুধবার (৮ জুলাই) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেখেরটেক ৭ নম্বর রোড ব্রিজ এলাকায়...
২৪ দিন আগে
জুলাই জাদুঘরের মধ্যে গ্রেনেড হামলা করে উপদেষ্টা ফারুকীকে হত্যার ফাঁদ পাতা হয়েছিল
আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের খান বলেছেন, ‘জুলাই জাদুঘরের মধ্যে গ্রেনেড হামলা করে উপদেষ্টা ফারুকীকে হত্যার ফাঁদ পাতা হয়েছিল।’তিনি বলেন, ‘গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে উদঘাটন হয়, জাদুঘরে শ্রমিকের ছদ্মবেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের কয়েকজন সদস্য প্রবেশ করেছিল, যাদের মধ্যে জুলাইতে ছাত্র হত্যার সাথে যুক্ত-এমন মামলার আসামিও ছিল এবং তারা অতর্কিতে হামলা...
১ মাস আগে
