সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া আর নেই
অনলাইন ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে গণমাধ্যমকে জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে ফোন করে বলেন, “আম্মা আর নেই।”
এদিকে বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। একই সঙ্গে দলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক শোকবার্তায় বলা হয়, “বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ সকাল ৬টায় ফজরের নামাজের পর ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আমরা তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।”
খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনি জটিলতাসহ একাধিক গুরুতর শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে গত ২৩ নভেম্বর তাঁকে দ্রুত রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসার প্রয়োজনে তাঁকে বিদেশে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে তা সম্ভব হয়নি।
বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন এবং দেশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকারপ্রধান।
১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলায় ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদারের ঘরে তাঁর জন্ম। তাঁদের আদি বাড়ি ফেনীতে। তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন এবং পরে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে অধ্যয়ন করেন। ১৯৬০ সালে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিয়ে করেন।
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তিনি ফার্স্ট লেডি হিসেবে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সফরে অংশ নেন এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারসহ বিশ্বনেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তিনি সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি বিএনপিতে সাধারণ সদস্য হিসেবে যোগ দেন। ১৯৮৩ সালে ভাইস চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ সালের আগস্টে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।
বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি অনন্য নির্বাচনী রেকর্ডের অধিকারী। তিনি কখনো কোনো সংসদীয় আসনে পরাজিত হননি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি পাঁচটি ভিন্ন আসন থেকে নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা তিনটি আসনেই বিজয়ী হন।
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও বিশিষ্টজনেরা তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।

জুলাই আন্দোলন ছিল জনগণের, কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি)-এ বিএনপি আয়োজিত ‘গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অনিবার্য সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।তিনি বলেন, “বাংলাদেশে জুলাই-আগস্টে যে আন্দোলন হয়েছিল, তা ছিল জনগণের আন্দোলন। জনগণ পরিবর্তন চেয়েছিল বলেই আন্দোলন সফল হয়েছে।...
৬ ঘন্টা আগে
অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ড. মিজানুর রহমান আজহারি
দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার অভিযোগের মধ্যে এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারি।মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, তার নিজের বাসার বিদ্যুৎ বিলও স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি এসেছে।পোস্টে আজহারি লেখেন, “হঠাৎ করে আমার বাসার বিদ্যুৎ
৭ ঘন্টা আগে
‘হানাহানির জন্য জীবন দেননি জুলাইয়ের শহীদরা’: তাজুল ইসলাম
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির মাসে দেশে হানাহানি ও সংঘাতের ঘটনা দেখে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, আবু সাঈদ, মুগ্ধসহ জুলাইয়ের শহীদরা এমন বিভক্ত ও সংঘাতপূর্ণ বাংলাদেশ দেখতে জীবন দেননি।মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) আয়োজিত ‘জুলাই কালচারাল ফেস্ট’-এর প্রথম দিনের...
৮ ঘন্টা আগে
ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সমলিঙ্গের বিয়ের অভিযোগের তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা চেয়ে ১,২৩০ নাগরিকের যৌথ বিবৃতি
রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে সমলিঙ্গের বিয়ের অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ১ হাজার ২৩০ জন নাগরিক যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন।মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে আলেম, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিরা স্বাক্ষর করেন।মূল্যবোধ আন্দোলনের মুখপাত্র প্রকৌশলী মুহাম্মাদ সাদাত পাঠানো বিবৃতিতে...
১১ ঘন্টা আগে
