যে ৫টি পেশা ইসলাম কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে
দ্যা সিটি সিগন্যাল ডেক্স
ছবি: সংগৃহীত
ইসলাম মানুষের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের মতো উপার্জনের ক্ষেত্রেও সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। একজন মুসলমানের জন্য হালাল উপার্জন করা যেমন ইবাদত, তেমনি হারাম উপার্জন থেকে দূরে থাকাও ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ দাবি। কোরআন ও সহিহ হাদিসে এমন কিছু পেশা ও উপার্জনের পথকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে অন্যায়, জুলুম, প্রতারণা বা সমাজে অশান্তি ছড়ায়।
মনে রাখতে হবে, হারাম উপার্জনের অর্থ দিয়ে ইবাদত করলেও তার বরকত থাকে না। এমনকি হাদিসে এসেছে, হারাম খাদ্যে লালিত দেহ জান্নাতের উপযুক্ত নয়। তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত নিজের উপার্জনের উৎস সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হালাল জীবিকা বেছে নেওয়া।
নিচে ইসলামে নিষিদ্ধ ৫টি পেশা সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো।
১. সুদভিত্তিক (রিবা) ব্যবসা বা চাকরি
সুদ গ্রহণ, প্রদান, সুদের হিসাব লেখা বা এতে সহযোগিতা করা—সবই ইসলামে হারাম। কোরআনে আল্লাহ সুদের বিরুদ্ধে কঠোর ঘোষণা দিয়েছেন।
২. মদ, মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবসা
মদ, ইয়াবা, গাঁজা, হেরোইন বা যেকোনো নেশাজাতীয় দ্রব্য উৎপাদন, পরিবহন, বিক্রি বা এতে সহযোগিতা করা সম্পূর্ণ হারাম।
৩. জুয়া ও অবৈধ বেটিং সংশ্লিষ্ট পেশা
ক্যাসিনো, অনলাইন বেটিং, লটারি, জুয়া পরিচালনা বা এসব থেকে আয় করা ইসলামে বৈধ নয়।
৪. ঘুষ, দুর্নীতি ও প্রতারণাভিত্তিক পেশা
ঘুষ গ্রহণ, ঘুষের মাধ্যমে সুবিধা আদায়, মানুষের সঙ্গে প্রতারণা বা জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন ইসলাম কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে।
৫. অশ্লীলতা ও অনৈতিক কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পেশা
পর্নোগ্রাফি, দেহব্যবসা, অশ্লীল বিনোদন বা মানুষের নৈতিক অবক্ষয় ঘটায়—এমন যেকোনো কাজ ও ব্যবসা ইসলামে হারাম।
উপসংহার
একজন মুমিনের জন্য হালাল উপার্জন শুধু দুনিয়ার সফলতার পথ নয়, বরং আখিরাতের মুক্তিরও অন্যতম মাধ্যম। তাই পেশা নির্বাচন ও উপার্জনের ক্ষেত্রে কোরআন-সুন্নাহর নির্দেশনা অনুসরণ করা অপরিহার্য। সাময়িক লাভের আশায় হারাম পথে না গিয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে হালাল জীবিকা অর্জনের চেষ্টা করাই একজন প্রকৃত মুসলমানের পরিচয়।
জুমার দিনে দোয়া কবুলের আশায় যা পড়বেন
জুমার দিন মুসলমানদের জন্য বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। এ দিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এমন একটি বিশেষ সময় রয়েছে, যখন কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে দোয়া করলে তা কবুল হওয়ার আশা করা যায়। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জুমার দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যখন কোনো মুসলিম নামাজরত অবস্থায় আল্লাহর কাছে কিছু...
৩ ঘন্টা আগে
জুমার দিনে যে আমলগুলো করতে বলেছেন নবীজি (সা.)
জুমার দিন মুসলমানদের জন্য বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। হাদিসে এ দিনে কিছু বিশেষ আমল করার কথা এসেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য— গোসল করা ও পরিচ্ছন্ন হওয়া: জুমার নামাজের আগে গোসল করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পোশাক পরা ও সুগন্ধি ব্যবহার করা সুন্নত।আগেভাগে মসজিদে যাওয়া: সম্ভব হলে আগে মসজিদে গিয়ে জুমার নামাজের প্রস্তুতি নেওয়া।দরুদ শরিফ পড়া: জুমার দিন
৪ ঘন্টা আগে
নবীজির টুপি ও পাগড়ি: কেমন ছিল কী জানা যায়
নবীজি (সা.)-এর জীবন মুমিনের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। ইবাদত-বন্দেগি থেকে পোশাক-পরিচ্ছদ, চলাফেরা ও দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষেত্রেই তাঁর জীবনে রয়েছে অনুসরণীয় শিক্ষা। রাসুল (সা.) কখনো শুধু টুপি পরতেন, আবার কখনো টুপির ওপর পাগড়িও পরতেন।নবীজির টুপি কেমন ছিলবিভিন্ন বর্ণনায় নবীজি (সা.)-এর টুপি ব্যবহারের কথা পাওয়া যায়। এসব বর্ণনা থেকে জানা যায়, তাঁর...
৭ দিন আগে
যে ৮টি গুণ মুমিনের চরিত্রকে সুন্দর করে
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন— «صِبْغَةَ اللَّهِ»—অর্থাৎ “আল্লাহর রঙ”।এই স্বর্গীয় রঙে রঙিন হওয়ার অর্থ হলো আল্লাহ তাআলা ও তাঁর প্রিয় রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর পছন্দনীয় গুণাবলি নিজের চরিত্রে ধারণ করা।একজন মুমিনের জীবনে যে গুণগুলো বিশেষভাবে থাকা প্রয়োজন—১. তাকওয়া — সর্বাবস্থায় আল্লাহকে ভয় করা এবং তাঁর নির্দেশ মেনে চলা।২. ধৈর্য ও সহনশীলতা —
৮ দিন আগে
