রাজনীতি

মিথ্যাচারকারীদের ইহকাল ও পরকালে তাদের জবাব দিতে হবে: মির্জা আব্বাস

অনলাইন ডেস্ক

২ মাস আগে


{news.title}

ছবি: সংগৃহীত


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, কুৎসা রটিয়ে, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে কিংবা ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট আদায় করা সম্ভব নয়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, কিছু দল এমনভাবে আচরণ করছে যেন তারা আগেই নিশ্চিতভাবে বিজয়ী হয়ে গেছে। জনগণ জানতে চায়-তারা এই শক্তি কোথা থেকে পাচ্ছে?

রোববার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) রাজধানীর খিলগাঁও বাজার এলাকায় গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মির্জা আব্বাস বলেন, “নির্বাচনের পরিবেশ মোটেও ভালো না। আচরণবিধিতে স্পষ্টভাবে বলা আছে, কারও বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক বা উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়া যাবে না। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, আমার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। লক্ষ্যবস্তু আমি-অন্য কাউকে নয়।”

তিনি বলেন, যারা মিথ্যাচার করছে, তাদের ইহকাল ও পরকালে জবাব দিতে হবে।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করে মির্জা আব্বাস বলেন, এসব বিষয় দেখভাল করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “ইসি যদি পক্ষপাত না করত, তাহলে এত অপবাদ ও মিথ্যা অভিযোগের পরও কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না? বিষয়গুলো নিয়ে অভিযোগ জানানো হলেও কোনো কর্ণপাত করা হয়নি।”

ভোটার তালিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, “আমার এলাকায় মোট ভোটার প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার। এর মধ্যে অর্ধেক ভোটারই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই ভোটারগুলো কারা? যদি তাদের অস্তিত্ব না থাকে, তাহলে নির্বাচন কমিশনের উচিত এসব ভোটার বাতিল করা। তা না হলে প্রকৃত ফলাফল বেরিয়ে আসবে না।”

এ সময় কর্মজীবী নারীদের নিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বিতর্কিত মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানান মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, “স্বাধীনতাবিরোধী একটি দলের শীর্ষ নেতা কর্মজীবী নারীদের সম্পর্কে যে অশ্লীল ও নোংরা মন্তব্য করেছেন, তা মুখে আনার মতো নয়। আমাদের ধর্মে কোথাও বলা হয়নি নারীরা কাজ করতে পারবে না। বরং ধর্মে নারীদের সমঅধিকার দেওয়া হয়েছে।” তিনি নারী সমাজকে এসব দলের বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

গণমাধ্যম প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস বলেন, “গণমাধ্যম আমাদের বিরুদ্ধেও অনেক সময় অনেক কিছু লিখেছে, আমরা কিছু বলিনি। কারণ, আমরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। কিন্তু একজন অর্বাচীন বালক গণমাধ্যমকে আক্রমণ করে যে ভাষায় কথা বলছেন, তা মূলত গণমাধ্যমকে হুমকি দেওয়ার শামিল। এর জন্য ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ হয়নি, এর জন্য ২০২৪ সালের গণআন্দোলন সংগঠিত হয়নি।”

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom