রাজনীতি

রুমিন ফারহানার প্রত্যাশিত আসনে জমিয়তের জুনায়েদ আল হাবিব

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

৪ মাস আগে


{news.title}

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হয়ে ধানের শীষ প্রতীকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তবে জোটগত আসন সমঝোতার কারণে এই আসনটি জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহ-সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে যারা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেবেন, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যেসব প্রার্থী যে যে আসনে নির্বাচন করবেন, বিএনপি সেসব আসনে কোনো প্রার্থী দেবে না। এ সময় তিনি জনগণকে খেজুর গাছ প্রতীকে ভোট দিয়ে ধানের শীষকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সম্ভাব্য মনোনয়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছিল। গত ৩ নভেম্বর বিএনপি ২৩৭টি আসনে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। এরপর থেকেই স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ধারণা তৈরি হয়, এই আসনে জোটের শরিক হিসেবে জমিয়তের প্রার্থী দেওয়া হবে।

তবে দলীয় মনোনয়ন না পেলেও রুমিন ফারহানা নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যান। বিভিন্ন সভা-সমাবেশে তিনি দলীয় মনোনয়ন না পেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিতও দেন। গত শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বিটঘর বাজারে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় আয়োজিত দোয়া ও মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন,
‘আমি যা বলি, আমি তা-ই করি। আপনারা যদি আমার পাশে থাকেন, মার্কা যা-ই হোক, আমি সরাইল–আশুগঞ্জ থেকেই নির্বাচন করবো।’

মঙ্গলবার জোটের পক্ষ থেকে জুনায়েদ আল হাবিবকে প্রার্থী ঘোষণার পর রুমিন ফারহানার সমর্থকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, দল রুমিন ফারহানার রাজনৈতিক ত্যাগ ও জনপ্রিয়তাকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করেনি।

রুমিন ফারহানার সমর্থক আশুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল বিপ্লব বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম এলাকার উন্নয়নের জন্য রুমিন আপাকে বিএনপি মনোনয়ন দেবে। কিন্তু দলের সিদ্ধান্তে আমরা হতাশ। তবুও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উন্নয়নের স্বার্থে আমরা তাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত করতে চাই।’

অন্যদিকে সরাইল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লস্কর তপু বলেন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করবো। দলের বাইরে কেউ যাব না। দীর্ঘদিন ধরে আমরা ভোট দিতে পারিনি। দলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করাই আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’

বারিস্তা কফি,ফাস্ট ফুড এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার (বিএফএলটিসি)
Dr.Mahfuzul Alom